ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রমজানে মাধ্যমিক স্কুল খোলা থাকবে ১৫ দিন, প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে টেকনাফ সীমান্তের হোয়াইক্যং এলাকা দিয়ে আজ অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে মিয়ানমারের সেনা সাদ সাহেব রুজু করার পর দেওবন্দের মাসআলা খতম হয়ে গেছে : মাওলানা আরশাদ মাদানী চলছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিনের বয়ান পুলিশ সদস্যসহ বিশ্ব ইজতেমায় ৭ জনের মৃত্যু বর্তমান সরকারের সঙ্গে সব দেশ কাজ করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়পুরহাটে স্কুলছাত্র হত্যায় ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু ‘শরীফ থেকে শরীফা’ গল্প পর্যালোচনায় কমিটি গঠন করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ধর্ষককে বাঁচাতে গুজরাট নারী পুলিশ অফিসারের কাণ্ড

  • নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০
  • ৮৭১ পঠিত

জোড়া ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার না করার বিনিময়ে মোটা টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের গুজরাটের এক নারী পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় শ্বেতা জাদেজার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। যে কোনো সময় তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে জানিয়েছে এই সময়।

ভারতীয় এ সংবাদমাধ্যম জানায়, জিএপি কর্প সায়েন্স নামে একটি বেসরকারি সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর কেনাল শাহের বিরুদ্ধে সম্প্রতি মহিলা থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেন ওই সংস্থারই দুই নারী কর্মী।

গত মাসে এ ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী তথা ওই সংস্থার সিকিউরিটি অফিসার কেনাল শাহের বিরুদ্ধে স্যাটেলাইট থানায় হুমকি দেয়ার পৃথক একটি অভিযোগ দায়ের করেন।।

এই দুটি ধর্ষণের অভিযোগের মধ্যে একটির তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই শ্বেতা জাদেজা।

অভিযোগ উঠেছে, ধর্ষণ ও হুমকির দায়ে অভিযুক্ত কেনাল শাহকে গ্রেফতার না করার বিনিময়ে ৩৫ লাখ টাকা ঘুষ চান তদন্তকারী ওই নারী পুলিশ অফিসার।

পিএএসএ অ্যাক্ট হলো- কোনো ব্যক্তিকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখার জন্য পুলিশকে আটক ও কারাগারে প্রেরণের ক্ষমতা প্রদান।

সম্প্রতি ওই নারী পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে দাখিল করা ক্রাইম ব্রাঞ্চের এফআইআরে এমনই অভিযোগ আনা হয়েছে।

জানা গেছে, মাত্র ৪ বছর আগে পুলিশে যোগ দেন শ্বেতা জাদেজা। অভিযুক্ত কেনাল শাহের ভাই ভবেশ শাহকে থানায় ডেকে পাঠিয়েছিলেন শ্বেতা জাদেজা। অভিযুক্তের দাদাকে তিনি বলেন, ২৫ লাখ টাকা না দিলে কেনালকে পিএএসএ-তে গ্রেফতার করা হবে।

শেষ পর্যন্ত ২০ লাখ টাকায় রফা চূড়ান্ত হয়। এক পরিচিত ব্যক্তির কাছে ঘুষের টাকা পৌঁছে দিতে হবে বলে অভিযুক্তের ভাইকে জানান ওই নারী পুলিশ অফিসার। কথা মতো কেনাল শাহর ভাই ওই টাকা শ্বেতার বলে দেয়া ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেন।

কয়েক দিন পরে কেনাল শাহর দাদাকে ফের থানায় ডেকে পাঠান এসআই শ্বেতা। এবার স্যাটেলাইট থানায় কেনাল শাহর বিরুদ্ধে দায়ের অপর একটি হুমকির মামলায় গ্রেফতারি এড়াতে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। এটাতেও সাড়ে ১১ লাখ টাকায় রফা হয়। আগের মতোই একই অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যায়।

এ ঘটনায় গত মাসে ওই নারী পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কেনাল শাহের ভাই ভবেশ শাহ। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শ্বেতা জাদেজার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। ঘুষ নেয়ার দায়ে তাকে গ্রেফতার করার প্রস্তুতি চলছে।

Tag :
জনপ্রিয়

রমজানে মাধ্যমিক স্কুল খোলা থাকবে ১৫ দিন, প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন

ধর্ষককে বাঁচাতে গুজরাট নারী পুলিশ অফিসারের কাণ্ড

প্রকাশিত : ১২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০

জোড়া ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার না করার বিনিময়ে মোটা টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের গুজরাটের এক নারী পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় শ্বেতা জাদেজার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। যে কোনো সময় তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে জানিয়েছে এই সময়।

ভারতীয় এ সংবাদমাধ্যম জানায়, জিএপি কর্প সায়েন্স নামে একটি বেসরকারি সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর কেনাল শাহের বিরুদ্ধে সম্প্রতি মহিলা থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেন ওই সংস্থারই দুই নারী কর্মী।

গত মাসে এ ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী তথা ওই সংস্থার সিকিউরিটি অফিসার কেনাল শাহের বিরুদ্ধে স্যাটেলাইট থানায় হুমকি দেয়ার পৃথক একটি অভিযোগ দায়ের করেন।।

এই দুটি ধর্ষণের অভিযোগের মধ্যে একটির তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই শ্বেতা জাদেজা।

অভিযোগ উঠেছে, ধর্ষণ ও হুমকির দায়ে অভিযুক্ত কেনাল শাহকে গ্রেফতার না করার বিনিময়ে ৩৫ লাখ টাকা ঘুষ চান তদন্তকারী ওই নারী পুলিশ অফিসার।

পিএএসএ অ্যাক্ট হলো- কোনো ব্যক্তিকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখার জন্য পুলিশকে আটক ও কারাগারে প্রেরণের ক্ষমতা প্রদান।

সম্প্রতি ওই নারী পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে দাখিল করা ক্রাইম ব্রাঞ্চের এফআইআরে এমনই অভিযোগ আনা হয়েছে।

জানা গেছে, মাত্র ৪ বছর আগে পুলিশে যোগ দেন শ্বেতা জাদেজা। অভিযুক্ত কেনাল শাহের ভাই ভবেশ শাহকে থানায় ডেকে পাঠিয়েছিলেন শ্বেতা জাদেজা। অভিযুক্তের দাদাকে তিনি বলেন, ২৫ লাখ টাকা না দিলে কেনালকে পিএএসএ-তে গ্রেফতার করা হবে।

শেষ পর্যন্ত ২০ লাখ টাকায় রফা চূড়ান্ত হয়। এক পরিচিত ব্যক্তির কাছে ঘুষের টাকা পৌঁছে দিতে হবে বলে অভিযুক্তের ভাইকে জানান ওই নারী পুলিশ অফিসার। কথা মতো কেনাল শাহর ভাই ওই টাকা শ্বেতার বলে দেয়া ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেন।

কয়েক দিন পরে কেনাল শাহর দাদাকে ফের থানায় ডেকে পাঠান এসআই শ্বেতা। এবার স্যাটেলাইট থানায় কেনাল শাহর বিরুদ্ধে দায়ের অপর একটি হুমকির মামলায় গ্রেফতারি এড়াতে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। এটাতেও সাড়ে ১১ লাখ টাকায় রফা হয়। আগের মতোই একই অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যায়।

এ ঘটনায় গত মাসে ওই নারী পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কেনাল শাহের ভাই ভবেশ শাহ। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শ্বেতা জাদেজার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। ঘুষ নেয়ার দায়ে তাকে গ্রেফতার করার প্রস্তুতি চলছে।